Latest News

জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল



 জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল 

১৯৭৩ সালের জ্ঞানপীঠ পুরস্কারটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সে বছর এই সম্মাননা যুগ্মভাবে দুইজন প্রথিতযশা সাহিত্যিককে প্রদান করা হয়েছিল। আপনার দেওয়া তথ্যগুলো একদম সঠিক। নিচে এর একটি সংক্ষিপ্ত ও গোছানো রূপ দেওয়া হলো:

১৯৭৩ সালের জ্ঞানপীঠ পুরস্কার প্রাপক

সাহিত্যিক

ভাষা

উল্লেখযোগ্য কাজ

দত্তাত্রেয় রামচন্দ্র বেন্দ্রে (ডি. আর. বেন্দ্রে)

কন্নড়

নাকুতান্তি (Nakutanthi)

গোপীনাথ মোহান্তি

ওড়িয়া

মাটিমাতাল (Matimatala)


সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ

  • ডি. আর. বেন্দ্রে: তাঁকে আধুনিক কন্নড় কবিতার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব বলা হয়। তাঁর 'নাকুতান্তি' (যার অর্থ 'চারটি তন্ত্রী') কাব্যগ্রন্থটি দার্শনিক এবং আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য সংমিশ্রণ।

  • গোপীনাথ মোহান্তি: ওড়িয়া সাহিত্যে তিনি আদিবাসী জীবন এবং সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। 'মাটিমাতাল' একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস যা ওড়িশার গ্রামীণ জীবনের পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে।

একটি মজার তথ্য: ১৯৭৩ সাল ছিল জ্ঞানপীঠের ইতিহাসে নবম বছর, এবং এটিই ছিল দ্বিতীয়বার যেখানে পুরস্কারটি ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল।

দত্তাত্রেয় রামচন্দ্র বেন্দ্রে, যিনি কন্নড় সাহিত্যে 'অম্বিকাতনয়দত্ত' (অম্বিকার পুত্র দত্ত) ছদ্মনামে বেশি পরিচিত, ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কন্নড় কবি। আপনার তথ্যের সূত্র ধরে তাঁর সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে দেওয়া হলো:

সাহিত্যিক পরিচয় ও অবদান

ডি. আর. বেন্দ্রে কন্নড় সাহিত্যের 'নভোদয়' (Navodaya - নবজাগরণ) যুগের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। তাঁর কবিতা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা, লোকসংগীত এবং গভীর আধ্যাত্মিক দর্শনের এক অপূর্ব মিশ্রণ।

  • উপাধি: তাঁকে শ্রদ্ধাভরে 'বরকবি' (বদানান্য কবি) বলা হয়।

  • নাকুতান্তি (১৯৭৩): এই কাব্যগ্রন্থটির জন্যই তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পান। 'নাকুতান্তি' শব্দের অর্থ 'চারটি তন্ত্রী'। এটি মূলত মানুষের অস্তিত্বের চারটি দিক—অস্তিত্ব (Being), চেতনা (Consciousness), আনন্দ (Bliss) এবং সত্য (Truth)—এর রূপক।


প্রধান কর্মসমূহ

তাঁর লেখা কবিতাগুলোতে লিরিকধর্মী ছন্দের ব্যবহার তাকে পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ হলো:

  • গারি (Gari)

  • নাদালিলে (Nadalile)

  • অরলু মরলু (Aralu Maralu) - এর জন্য তিনি ১৯৫৮ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান।


কিছু বিশেষ দিক

  • ছদ্মনাম: তিনি তাঁর মা অম্বিকার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবশত 'অম্বিকাতনয়দত্ত' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।

  • ভাষা: তিনি কন্নড় ভাষার পাশাপাশি মারাঠি ভাষাতেও সাবলীল ছিলেন এবং উভয় ভাষাতেই সাহিত্যচর্চা করেছেন।

  • দর্শন: তাঁর কবিতায় শ্রী অরবিন্দ এবং শ্রী মায়ের দর্শনের গভীর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

"বেন্দ্রের কবিতা যেন মাটির গন্ধ আর আকাশের বিশালতাকে এক সুতোয় বেঁধেছে।"

ওড়িয়া সাহিত্যের ইতিহাসে গোপীনাথ মোহান্তি (১৯১৪–১৯৯১) এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাকে আধুনিক ওড়িয়া উপন্যাসের জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭৩ সালে তিনি তাঁর মহাকাব্যিক উপন্যাস 'মাটিমাতাল'-এর জন্য ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান 'জ্ঞানপীঠ পুরস্কার' লাভ করেন।

নিচে তাঁর জীবন ও সাহিত্যকর্মের প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

১. আদিবাসী জীবনের রূপকার

গোপীনাথ মোহান্তির সাহিত্যের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো ওড়িশার আদিবাসী সমাজ (বিশেষ করে কন্ধ ও গদবা জনজাতি) সম্পর্কে তাঁর গভীর পর্যবেক্ষণ। প্রশাসনিক চাকরিসূত্রে তিনি দীর্ঘ সময় ওড়িশার কোরাপুট জেলায় কাটিয়েছেন, যা তাঁর লেখায় এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে।

২. প্রধান সাহিত্যকর্ম

বইয়ের নাম

ধরণ

বিশেষত্ব

মাটিমাতাল

উপন্যাস

গ্রামীণ জীবনের পরিবর্তন ও মানুষের মাটির টান নিয়ে লেখা এই উপন্যাসের জন্যই তিনি জ্ঞানপীঠ পান।

অমৃতর সন্তান

উপন্যাস

কন্ধ আদিবাসীদের জীবন নিয়ে রচিত। এর জন্য তিনি ১৯৫৫ সালে প্রথম সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান।

পরজা

উপন্যাস

এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ, যেখানে আদিবাসী জীবনের শোষণ ও সংগ্রামের কথা উঠে এসেছে।

দানাপানি

উপন্যাস

মধ্যবিত্ত সমাজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়ে লেখা।


৩. প্রাপ্ত সম্মাননা ও অর্জন

  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার (১৯৭৩): 'মাটিমাতাল' উপন্যাসের জন্য।

  • সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৫): প্রথম ওড়িয়া লেখক হিসেবে 'অমৃতর সন্তান'-এর জন্য এই সম্মান পান।

  • পদ্মভূষণ (১৯৮১): ভারত সরকার কর্তৃক তাঁর সাহিত্যিক অবদানের জন্য ভূষিত হন।

৪. অনুবাদক হিসেবে অবদান

তিনি শুধুমাত্র মৌলিক সাহিত্যই সৃষ্টি করেননি, বরং বিশ্বসাহিত্যের অনেক বিখ্যাত কাজ ওড়িয়া ভাষায় অনুবাদ করেছেন। যেমন লিও টলস্টয়ের 'ওয়ার অ্যান্ড পিস' (War and Peace)।


একটি মজার মিল: আপনি যেমনটি উল্লেখ করেছিলেন, ১৯৭৩ সালে গোপীনাথ মোহান্তি ও কন্নড় কবি ডি. আর. বেন্দ্রে দুজনেই যৌথভাবে জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পান। মোহান্তি ছিলেন প্রথম ওড়িয়া সাহিত্যিক যিনি এই বিরল সম্মানে ভূষিত হন।

ডি. আর. বেন্দ্রের 'নাকুতান্তি' (Naku Thanthi) কেবল একটি কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি কন্নড় সাহিত্যের এক আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক মাইলফলক। ১৯৭৩ সালে এই অনন্য সৃষ্টির জন্যই তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কারে ভূষিত হন।

নিচে এই কাব্যগ্রন্থটির গভীরে থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো:

১. নামের অর্থ (The Meaning)

'নাকুতান্তি' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো 'চারটি তন্ত্রী' (Four Strings)। বেন্দ্রে এখানে বীণার চারটি তারের রূপক ব্যবহার করেছেন, যা মানুষের অস্তিত্ব এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের চারটি ভিন্ন মাত্রাকে নির্দেশ করে।

২. মূল দর্শন (Core Philosophy)

বেন্দ্রে শ্রী অরবিন্দ এবং শ্রী মায়ের দর্শনে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত ছিলেন। 'নাকুতান্তি' কবিতায় তিনি সংখ্যাতত্ত্ব (Numerology) এবং দর্শনের এক জটিল কিন্তু সুন্দর মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। তাঁর মতে, আমাদের অস্তিত্ব চারটি স্তরে বিভক্ত:

  • অস্তিত্ব (Being)

  • চেতনা (Consciousness)

  • আনন্দ (Bliss)

  • সত্য (Truth)

এটি মূলত বেদের 'অম্বিকাতনয়দত্ত' দর্শনের একটি আধুনিক কাব্যিক রূপ।

৩. কাব্যিক গঠন ও শৈলী

  • ছন্দ: বেন্দ্রে তাঁর কবিতায় কন্নড় লোকগীতির ছন্দ এবং ধ্রুপদী ছন্দের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছেন।

  • ভাষা: এতে কথ্য কন্নড় ভাষার প্রাণবন্ততা এবং সংস্কৃতের গাম্ভীর্য—দুটোই বিদ্যমান।

  • বহুমাত্রিকতা: এই কাব্যে কবি একাধারে একজন গণিতবিদ, একজন বিজ্ঞানী এবং একজন মরমিয়া (Mystic) হিসেবে ধরা দিয়েছেন।

৪. কেন এটি শ্রেষ্ঠ?

সাধারণত জ্ঞানপীঠ পুরস্কার কোনো লেখকের সামগ্রিক অবদানের জন্য দেওয়া হয়, কিন্তু ১৯৭৩ সালে 'নাকুতান্তি' কাব্যগ্রন্থটি এতই প্রভাবশালী ছিল যে এটি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত হয়েছিল। এটি আধুনিক কন্নড় কবিতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়, যেখানে কবিতা কেবল আবেগের প্রকাশ নয়, বরং পরম সত্যের অনুসন্ধানে পরিণত হয়।


একটি উদ্ধৃতি: বেন্দ্রের ভাষায়, এই চারটি তন্ত্রী হলো— "আমি, তুমি, সে এবং পরমাত্মা।"

ওড়িয়া সাহিত্যের কিংবদন্তি লেখক গোপীনাথ মোহান্তি-র রচিত 'মাটিমাতাল' (Mati Matala) একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। ১৯৭৩ সালে এই কালজয়ী সৃষ্টির জন্যই তিনি যৌথভাবে (ডি. আর. বেন্দ্রের সাথে) জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন।

এই উপন্যাসটির কিছু বিশেষ দিক নিচে আলোচনা করা হলো:

১. প্রেক্ষাপট ও মূল বিষয়বস্তু

'মাটিমাতাল' শব্দটির অর্থ হলো 'মাটির নেশা' বা 'মাটির টানে মাতাল'। উপন্যাসটি ওড়িশার গ্রামীণ জীবনের এক বিশাল ক্যানভাস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে গ্রামীণ সমাজে যে পরিবর্তন আসছিল এবং চিরাচরিত গ্রামীণ মূল্যবোধের সাথে আধুনিকতার যে দ্বন্দ্ব, তা এখানে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।

২. প্রধান চরিত্র ও কাহিনী

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র রবি। সে একজন আদর্শবাদী যুবক, যে শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে আসে গ্রামোন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে। রবির চরিত্রের মাধ্যমে লেখক মহাত্মা গান্ধীর 'গ্রাম স্বরাজ' দর্শনের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। রবি গ্রামের মানুষের সেবা এবং মাটির সাথে একাত্ম হওয়ার যে সংগ্রাম করে, তাই এই উপন্যাসের প্রাণ।

৩. উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য

  • মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা: মোহান্তি কেবল সমাজচিত্র আঁকেননি, বরং মানুষের মনের গহীনে থাকা সূক্ষ্ম অনুভূতি এবং মাটির প্রতি মানুষের যে চিরন্তন টান, তা ফুটিয়ে তুলেছেন।

  • বিশালতা: এটি একটি বিশাল কলেবরের উপন্যাস। এতে ওড়িশার জনজীবন, কৃষি, উৎসব এবং মানুষের দুঃখ-সুখের এক পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়।

  • ভাষা শৈলী: গোপীনাথ মোহান্তির গদ্যশৈলী অত্যন্ত কাব্যিক এবং মাটির কাছাকাছি। তিনি ওড়িয়া ভাষার আঞ্চলিক শব্দ এবং প্রবাদের চমৎকার ব্যবহার করেছেন।

৪. কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

  • প্রথম ওড়িয়া জ্ঞানপীঠ: এই উপন্যাসের মাধ্যমেই ওড়িয়া সাহিত্য প্রথমবার জ্ঞানপীঠ পুরস্কারের গৌরব অর্জন করে।

  • আদর্শবাদের দলিল: এটি কেবল একটি গল্প নয়, বরং একটি সুন্দর এবং শোষণমুক্ত গ্রাম গঠনের এক শৈল্পিক দলিল।

পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভালো লাগলে  অবশ্যই লাইক শেয়ার করুন।।লেখক : আব্দুল মুসরেফ খাঁন email :lib.pbc@gmail.com





  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭১ -বিষ্ণু দে -বাংলা- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭২ -রামধারী সিং 'দিনকর' - হিন্দি - উর্বশী  
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৩- ডি আর বেন্দ্রে এবং গোপীনাথ মোহান্তি - কন্নড়/ওড়িয়া - নাকুতান্তি / মাটিমাতাল 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৪ - বিষ্ণু সখারাম খান্দেকর - মারাঠি -যযাতি
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭৫ - পি ভি আকিলান - তামিল - চিত্রাপ্পাবাই 
  • মালয়ালম কবি জি শঙ্কর কুরুপ 
  • কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'গণদেবতা'-
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার যৌথভাবে দুজন সাহিত্যিককে প্রদান করা হয়েছিল—কন্নড় কবি কে. ভি. পুত্তাপ্পা (কুভেম্পু) এবং গুজরাতি কবি উমাশঙ্কর যোশী।
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৬৮ - সুমিত্রানন্দন পন্ত - হিন্দি -চিদাম্বরা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার  -১৯৬৯ - ফিরাক গোরখপুরী - উর্দু - গুল-এ-নগমা
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার -১৯৭০ - বিশ্বনাথ সত্যনারায়ণ - তেলুগু - রামায়ণ কল্পবৃক্ষমু 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার - ১৯৭৬ - আশাপূর্ণা দেবী- বাংলা - প্রথম প্রতিশ্রুতি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৭ | কে শিবরাম করন্থ | কন্নড় | মুকাজ্জিয়া কনসুগলু |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৮ | এস এইচ ভি বাৎসায়ন | হিন্দি | কিতনি নাও মে কিতনি বার |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৭৯ | বীরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য | অসমীয়া | মৃত্যুঞ্জয় |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮০ | এস কে পোট্টেক্কাট | মালয়ালম | ওরু দেশথিন্তে কথা |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮১ | অমৃতা প্রীতম | পাঞ্জাবি | কাগজ তে ক্যানভাস |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৮২ | মহাদেবী বর্মা | হিন্দি | সার্বিক অবদান (যামা - বিশেষ উল্লেখে) |
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯১ | সুভাষ মুখোপাধ্যায় | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৬ | মহাশ্বেতা দেবী | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ১৯৯৯ | নির্মল ভার্মা এবং গুরুদয়াল সিং | হিন্দি/পাঞ্জাবি
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০০৫ | কুনওয়ার নারায়ণ | হিন্দি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১০ | চন্দ্রশেখর কাম্বার | কন্নড় 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৬ | শঙ্খ ঘোষ | বাংলা 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৮ | অমিতাভ ঘোষ | ইংরেজি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০১৯ | আক্কিথাম নাম্বুথিরি | মালয়ালম 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২১ | নীলমণি ফুকন | অসমীয়া 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২২ | দামোদর মৌজো | কোঙ্কানি 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৩ | গুলজার এবং জগদ্গুরু রামভদ্রাচার্য | উর্দু/সংস্কৃত 
  • জ্ঞানপীঠ পুরস্কার | ২০২৪ | বিনোদ কুমার শুক্ল | হিন্দি 

No comments:

Featured Post

কম্পিউটার সিস্টেম সেটআপ : আলোচনা

কম্পিউটার সিস্টেম ছবিটি একটি আধুনিক কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন অংশ (Parts of a Computer System) নিয়ে একটি চমৎকার তথ্যচিত্র। একট...

Writer Profile

Writer Profile
Writing Books _ Click Photo